Xiang Yang viajou para um mundo antigo de fantasia onde deuses e demônios coexistem. Ele é um reencarnado com um sistema, originalmente destinado a ser um prodígio do céu. Seu objetivo é desafiar o de
প্রচণ্ড ঝড়ের হাওয়া ছুরির মতো তার গাল কেটে দিচ্ছিল। শিয়াং ইয়াং আচমকা চোখ খুলতেই দেখল, দৃষ্টির সামনে এক গভীর, তলহীন অন্ধকার—যেন অজস্র কালোর দানব তাকে গিলে ফেলেছে।
শীতল দমকা হাওয়া ভাঙা পাথরকুচি বয়ে নিয়ে এসে এমন হুঙ্কার তুলছিল, যা হৃদয়ে কাঁপন ধরায়। সে শব্দ যেন মৃত্যুর গর্জন, বারবার তার কানের পর্দায় আঘাত করছিল।
সে তখন এক খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে। পায়ের নিচে মৃত্যুর অতল গহ্বর। মৃত্যুভয়ে তার বুক এক লহমায় কেঁপে উঠল, মাথা ঘুরে গেল, আর হৃদয় যেন এক শীতল বিশাল হাতের মুঠোয় চেপে ধরা পড়ল।
অবচেতনে সে পিছু হটতে চাইল, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে পিঠে ঠান্ডা কিছু অনুভব করল। নাকে এসে লাগল তীব্র পচা গন্ধ—পচা লাশ আর রক্তের গন্ধ মিশে এক ভয়াবহ দুর্গন্ধ, বমি পেয়ে যায়।
একই সঙ্গে এক গভীর গর্জন কানে এল, যেন নরকের রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। তার মাথার চুল খাড়া হয়ে গেল।
সে হঠাৎ পিছনে ঘুরল। দেখল, চোখে রক্তিম অগ্নি জ্বলতে থাকা একদল দানব নেকড়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে। তাদের ধারালো শ্বদন্ত রোদে ঠান্ডা ঝিলিক দিচ্ছে, সেই ঝিলিক তার চোখে বিঁধে গেল।
হতাশা ঢেউয়ের মতো বুক ভরল। সামনে-পেছনে কেবল মৃত্যুর ফাঁদ। পিছু হটার পথ নেই। খাঁচায় বন্দি পশুর মতো সে অসহায়।
মৃত্যুর ছায়া তাকে ঘিরে ধরল, আর ওই দানব নেকড়েগুলো যেন তাকে টুকরো টুকরো করে ফেলতে আর তর সইছে না।
নেকড়েগুলো একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ার মুহূর্তে শিয়াং ইয়াং-এর চক্ষু দুটি হঠাৎ সঙ্কুচিত হয়ে এল।
তার চোখে এক বিন্দুও ভয় নেই; বরং জ্বলছিল উগ্র লড়াইয়ের আগুন।
সে যেন এক নির্ভীক যোদ্ধা, মৃত্যুর অতল গভীরতার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।
দেহটি ছুটে গেল ধনুকের তীরের মতো। ঝড়ের মধ্যে তার গতির রেখা অটল, দৃঢ়। সে স্পষ্ট টের পেল হাওয়ার তীব্র ঝাপটা, পোশাক টানছে, চুল পেছনে উড়ছে, জামাকাপড় ফড়ফড় করছে।
দৌড়